বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন

বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন আমরা বিদেশে বেড়াতে যাওয়ার সময় অনেকেই প্রিয় মোটরসাইকেলটাও সঙ্গে নিতে চান কিন্তু তার ঝুঁকি অনেক। আচ্ছা, ভাড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর প্রক্রিয়াটাও কি জটিল? এক শব্দে জানতে চাইলে উত্তরটা হবে = না
বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন
বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন এতে বরং সুবিধা বেশি ভ্রমণ খরচ যেমন 20 থেকে 30% কমে যায় তেমনি ভ্রমণটাও হয় উপভোগ জনক। বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন। সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার আগে সূচিপত্রটি দেখে নিন বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন।

সূচিপত্রঃ বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন

ভূমিকা

বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন সবার প্রথমে বলতে গেলে বিদেশে গিয়ে গাড়ি চালানোর কিছু শর্তে থাকে যে বিষয়গুলো না জানলেই না একটি বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে আপনারা একের পর এক বুঝতে পারবেন বিদেশে গিয়ে কিভাবে গাড়ি চালাতে হয়। এছাড়া কি ধরনের কাগজপত্র লাগে কেমন ধরনের খরচ পাতি লাগে সবকিছুই সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়লে বুঝতে পারবেন।

যা যা লাগে

বিদেশে মোটরবাইক ভাড়া নিতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই থাকতে হবে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স। অনেক দেশে আবার পাসপোর্ট এর কপি জমা রেখেও বাইক ভাড়া নেওয়া যায় তবে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স বিশেষ করে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকলে ট্রাফিক পুলিশের জরিমানা সংক্রান্ত কোন ধরনের ঝামেলায় পড়তে হয় না।

আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স কিভাবে নেবেন জেনে নিন। এর জন্য আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। এরপর আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মগবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ অটোমোবাইল এসোসিয়েশনের অফিসে আবেদন করতে হবে। ফি লাগবে ২৫০০ টাকা। আবেদনের 10 থেকে 12 দিনের মধ্যে তারা ড্রাইভিং লাইসেন্স হস্তান্তর করে থাকে।

বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন

দেশের বাইরে বাইক ভাড়া নেওয়ার আগে কিছু জিনিস এবং সম্ভাব্য পরিস্থিতি মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিলে অনেক উচ্চ ঝামেলায় এড়িয়ে চলা যায় এক্ষেত্রে যে কাজগুলো আপনারা অবশ্যই করা উচিত মোটর বাইকের প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন ব্রেক, ক্লাচ, থ্রোটল ঠিকমতো কাজ করছে কিনা প্রথমে কিছুক্ষণ ট্রায়াল রাইড দিয়ে দেখে নেবেন। কোন সমস্যা থাকলে মালিক কে জানাবেন।

অথবা সেই বাইক পরিবর্তন করে অন্য বাইক দিতে বলবেন। মনে রাখবেন দেশের বাইরে ভাড়া নেওয়া বাইকের দুর্ঘটনা জনিত যেকোনো ক্ষতি জন্য আপনাকে ক্ষতির সমমূল্য অথবা কখনো কখনো তার চেয়ে বেশি মূল্য পরিশোধ করতে হতে পারে অনেক প্রশিক্ষিত বাইকারও দেশের বাইরে সম্পূর্ণ অপরিচিতি রোড কন্ডিশনে বাইক চালাতে গিয়ে নানা রকম দুর্ঘটনায় পড়ে।

সুতরাং বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন আপনি যে বাইক বা স্কুটার টি নিচ্ছেন তার ক্ষতি হলে সেটা পরিশোধ করার প্রাপ্ত অর্থ আপনার পকেটে থাকতে হবে। বাইক ভাড়া করার সময় অবশ্যই আপনার কাছ থেকে বাইকের মালিক কোন না কোন পেপার বা আইডি জমা রাখবে। নিশ্চিন্ত হন আপনার কাছে সেই পেপার বা আইডি কার্ডের ফটোকপি বা ছবি সংরক্ষণ আছে কিনা?

যে বাইক বা স্কুটারটি ভাড়া নিচ্ছেন সেটির ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও আপনার ফোনে রাখুন এবং তার মালিককে দেখিয়ে রাখুন তানা হলে খারাপ মালিকের পাল্লায় করলে আগের কোন সমস্যার জন্য আপনাকে জরিমানা পরিশোধ করতে হতে পারে। যতটা সম্ভব সেফটি গিয়ার ব্যবহার করার চেষ্টা করুন আপনার যদি আগে থেকেই বাইক চালানোর পরিকল্পনা থাকে।

তাহলে অবশ্যই দেশ থেকে কিছু বেসিক সেফটি গিয়ার যেমন গ্লাভস, নি গার্ড, ভালো জুতা এসব নিয়ে যান। মনে রাখবেন দেশের বাইরে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে দেশের মত অনেকেই সেখানে পাশে পাবেন না সঙ্গে চিকিৎসার জন্য বাড়তি আর্থিক ব্যাপার গুলো তো আছেই।

কাজেই বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন ছোটখাটো ফাস্টেড বক্স সাথে রাখার চেষ্টা করুন। যে দেশে যাচ্ছেন সেই দেশের ট্রাফিক আইন গাড়ি চলার লেন এসব সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা নিয়ে নিন এবং মেনে চলুন। 

যেমন ভিয়েত নামে গাড়ি চলে ইউরোপের নিয়মে মানে ডান দিক দিয়ে গাড়ি যায়, বাম দিক দিয়ে গাড়ি আসে। সুতরাং ভিয়েতনামের বাইক চালাতে হলে আপনাকে তাদের এই নিয়ম মেনে চলতে হবে।
যেখানেই যাবেন বাইক পার্ক করার নিয়ম মেনে চলবেন। কারণ সব দেশের পার্কিং নিয়ম আমাদের দেশের মতো না। ভুল জায়গায় পার্কিং করার কারণে আপনাকে বড় অংকের জরিমানা গুনতে হতে পারে। বাইক নিরাপদ জায়গায় পার্কিং করবেন মনে রাখবেন দেশের বাইরেও।

কিন্তু বাইক চুরি হয়।বাইক বা স্কুটার নেয়ার পর অবশ্যই সেটির প্রতি লিটারে কত কিলোমিটার যায় জেনে নিন। পর্যাপ্ত তেল গাড়িতে নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করুন। অন্যথায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যে কোন জায়গায় তেল শেষ হয়ে যাওয়ার বিপদে পড়ে যেতে পারেন সম্ভব হলে বাড়তি কিছু তেল বোতলে বহন করুন।

খরচপাতি

গাড়ির অবস্থা ও সিসির ওপর নির্ভর করে এক এক দেশের এক এক দামের মোটরবাইক বা স্কুটার ভাড়া করতে পারবেন। কম সিসির বাইকের ভাড়া ও কন্ডিশন মোটামুটি থাকলেও বেশি সিসির বাইকগুলো লিটারে যেমন আপনাকে কম মাইলেজ দেবে। বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন 

সেই সঙ্গে আপনার পকেটের অবস্থা খারাপ করে দেবে প্রতিদিন বাংলাদেশের টাকায় ৫০০ থেকে ৮ হাজার টাকায় আপনি বাইক ভাড়া করতে পারবেন। যত বেশি দিনের জন্য নিবেন তত খরচ কমে আসবে আর এশিয়ার বাইরের দেশে বাইক ভাড়া করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে তাদের সব নিয়ম মেনে দৈনিক ৫০০০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ভাড়া গুনতে হতে পারে।

লেখক এর শেষ কথা

সবার শেষে বলতে গেলে বিদেশে গিয়ে ভাড়ায় মোটরবাইক চালাতে চান দরকারি বিষয়গুলো জেনে রাখুন অবশ্যই আপনাকে খরচ পাতি অথবা কাগজপত্র দিকে খেয়াল রাখতে হবে গাড়ি ভাড়ায় নিবেন সে গাড়ি অবশ্যই ঠিকমতো দেখে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। ছাড়া আরো কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদেরকে জানান আমরা সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব। এছাড়া আরো নতুন পোস্ট পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url