ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায়

ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায় সম্পর্কে প্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে খুব সুন্দর একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি পোস্টটি হচ্ছে ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায় সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করব তাই পোস্টটি না টেনে সম্পন্ন করার চেষ্টা করুন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন। সবার প্রথমে সূচিপত্রটি দেখে নিন তাহলে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায় গুলো কি কি।

সূচিপত্রঃ ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায়

ভূমিকা

ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায় সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে তাই পোস্টটি না টেনে সম্পূর্ণ ধৈর্য সহকারে পড়ার চেষ্টা করুন সবার প্রথমেই ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায় সম্পর্কে বলতে গেলে প্রতিনিয়ত প্রচুর পরিমাণে ব্যায়াম করতে হবে তাহলেই ছেলেদের শরীর ফিট রাখা সম্ভব তাই চলুন দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায় সম্পর্কে।
তবে আরেকটি কথা না বললেই না এই পোস্টটি লিখেছেন জনপ্রিয় ব্লগার Apon Info 24 

ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায়

ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায় সম্পর্কে আজকে বিস্তারিত আলোচনা করব তাই পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়ার চেষ্টা করবেন ছেলেদের শরীর ঠিক রাখার উপায় সম্পর্কে প্রথমে বলতে গেলে প্রচুর পরিমাণে শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে তাহলে আসলে ছেলেদের শরীর ফিট রাখা সম্ভব এটা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। 

আমাদের পূর্ব জেনারেশনের ছেলেদের নিয়ে মাথাব্যথা ছিল না বর্তমানে বাংলাদেশের ছেলেদের শরীর ফিট রাখা নিয়ে এখন অনেক কনসার্ন তাই ছেলেদের নিয়মিত শরীরচর্চার জন্য ব্যায়াম করছে প্রতিনিয়ত এছাড়া সুষম জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে শরীর ঠিক রাখা সম্ভব। 
অতিরিক্ত সরল সরকরা জাতীয় খাবার গ্রহণ না করা প্রোটিন জাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়ানো একেবারে অধিক না খেয়ে অল্প অল্প করে বারে বারে খান সপ্তাহে একদিন বা দুদিন ব্যায়াম করে বডি বিল্ড করা সম্ভব নয় আপনাকে অন্তত পাঁচ দিন নিয়মিত জিমে গিয়ে ব্যায়াম করতে হবে।

শরীর ফিট রাখার 10 টি উপায়

শরীর ফিট রাখার ১০ টি উপায় সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করব তাই সম্পূর্ণ পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়ার চেষ্টা করবেন প্রথমে বলতে গেলে শরীর ফিট রাখার ১০ টি উপায় সম্পর্কে বলতে গেলে বেশ কিছু পয়েন্ট এখানে উল্লেখিত সেগুলো নিচে দেয়া হল
  • মাছ মাংস ডিম ভাজা না খেয়ে রসালো করে খান তার মানে হচ্ছে রান্না করে খান ভেজে খাওয়া থেকে দূরে থাকুন।
  • মাংস খাবার আগে চর্বি ছাড়িয়ে নিয়ে নে এতে ক্যালোরি পরিমাণ কমে আসে।
  • সকালের নাস্তা ভালোভাবে করুন একপিস রুটি সেদ্ধ ডিম একটি যেকোনো তাজা ফল একটি রাখুন খাদ্য তালিকায়।
  • খালি লবণ খাওয়া ছেড়ে দিন লবণ খেলে শরীরে পানির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কা থাকে তাই খালি লবণ খাওয়া ছেড়ে দেওয়াই ভালো।
  • নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
  • ওজন মাপন সপ্তাহে একবার ডায়েটিং করার সঙ্গে সঙ্গে ওজন আলোতে আসবে না বরং ধৈর্য নিয়ে চালিয়ে যান।
  • মনে রাখবেন ডায়েটিং মানে না খেয়ে থাকা নাই সব সময় খাবারের পুষ্টির পরিমাণ থাকবে এবং তা পরিমিত।
  • চিবিয়ে খাবার খান খাবার মুখে নিয়ে ভালো করে চিবিয়ে খেতে হবে এতে সহজে হজম হয় এতে আগে যে খাবারটি খেয়েছেন তা শরীরে গ্রহণ করার পর চিবিয়ে খাবার না খেলে ওজন বেড়ে যায়।
  • জাঙ্ক ফুট থেকে অবশ্যই দূরে থাকুন এটা শরীর বৃদ্ধি করার জন্য একটা অন্যতম কারণ। যদি ক্ষুধা পাই তাহলে পাতি লেবু আর কাঁচামরিচ দিয়ে ছোলা মেখে খান এটা একটা প্রোটিন জাতীয় খাবার এটাতে খিদেও মিটবে মুখের স্বাদও আসবে মোটা হওয়ার প্রবণতা থাকবে না।
  • ছোট পাত্রে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেশি বার খান তবে অল্প অল্প। এতে শরীরে খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।

ফিগার ঠিক রাখার উপায়

ফিগার ঠিক রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব এখানে তাই ধৈর্য সহকারে পোস্টটি পড়ার চেষ্টা করুন শরীর বাড়তি মেদ যাদের তাদের মেঘ ঝরে গিয়ে ফিগার হয়ে উঠবে দারুন যারা বেশি রোগা বা ফিগারের সেব সুন্দর নয় তাদের ফিগারও হয়ে উঠবে পারফেক্ট ফিগারে এই নিম্নোক্ত বিষয়গুলো ঠিক রাখলেই আপনার ফিগার সুন্দর হয়ে উঠবে।
  • ফিগার ঠিক রাখার জন্য নিয়ম করে প্রতিনিয়ত খাদ্যাভাস গড়ে তুলুন খাবার তালিকায় আজযুক্ত খাবার বাড়ান আমিসও চর্বি জাতীয় খাবার খুবই কম খান।
  • সুস্থ ও সঠিক ফিগারের জন্য নিয়মিত ঘুমের ভীষণ প্রয়োজন দিনে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন
  • ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন সকালে অফিসে যাওয়ার আগে ভালো করে স্নান করে নিন।
  • প্রতিনিয়ত কর্মকাণ্ড ও চলাফেরা সোজা ও সঠিকভাবে করার চেষ্টা করুন মনে রাখতে হবে চলাফেরা ও কাজের ক্ষেত্রে শরীরের অবস্থানগত ভুলের কারণে বহু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে বসাসয়া ও দৈনন্দিন প্রফেশনাল কাজে যেকোনো শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে একজন বিশেষজ্ঞের চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে পারেন।
  • দিনে একবার ঘর মুছুন। হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন যে কাজটি আপনার বাড়ির কাজের বুয়া করে সেটি আপনি করুন। কেবল এই ঘর মোছাই আপনার ফিগারের শেপকে করে তুলবে আকর্ষণীয়, আর কিচ্ছু করতে হবে না! বিশেষ করে হাতের ও পেটের মেদ একদম থাকবে না।
  • ঘরদোর ঝাড়ামোছার কাজটিও প্রতিদিন নিজে করুন। বারান্দার গ্রিল থেকে শুরু করে জানালা, সিলিং কিচ্ছু বাদ দেবেন না। ঘরের কাজ তো হবেই, আপনার শরীরটা দারুণ হয়ে উঠবে।
  • বাসায় লিফট থাকলে লিফট দিয়ে উঠানামা না করে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করার চেষ্টা করুন।
  • যা-ই করুন না কেন যত যাই কাজ করুন না কেন অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাবেন এবং বিশ্রাম নিবেন বিশ্রামের অভাবে আমাদের শরীরের নানা জায়গায় বিচ্ছিন্ন মেথ জমতে পারে তবে বিশ্রাম নেয়া মানে দিনরাত বসে থাকা নয় সেটাও খেয়াল রাখবেন যে সাথে সাথে পান করবেন প্রচুর পরিমাণে পানি মেদ কমাতেও ফিগারকে আকর্ষণীয় করতে পানির কোন বিকল্প নেই বিভিন্ন ধরনের কার্বোহাইড্রোজেন জাতীয় খাবার কমিয়ে প্রোটিন বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

শরীর বানানোর উপায়

শরীর বানানোর উপায় সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে কঠিন শরীর চর্চা ছাড়াও ফিট এবং বডি অর্জন করা যায় কিন্তু সহজ টিপস মেনে চললে আপনাকে শরীর চর্চার মতো কঠিন পথে যেতে হবে না চাইলেই কঠিন টাইট ও শরীর চর্চা ছাড়াও ওজন রাস করতে পারবেন আপনি চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক উপায় গুলো কি কি।
  • চিবিয়ে খাবার খান খাবার মুখে নিয়ে ভালো করে চিবিয়ে তবে খাবেন চিবিয়ে খাবার খেলে ওজন ঠিক রাখা সম্ভব।
  • বসে বসে কাজ করার সময় টুকটাক খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন যেমন ধরেন চিপস কোলড্রিংস ভাজাভুজি খাবেন না টানা নয় থেকে ১০ ঘন্টা বসে কাজ করার সময় এ ধরনের খাবার খেলে ভুঁড়ি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
  • খাবার খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে পানি খেয়ে নিন এতে পেট খানিক ভরে থাকে পানি খাবার হজম করতে সাহায্য করে অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার এই পানিতে হজম হয়ে যাবে শরীরে লাগতে দেবে না।
  • খালি পেট রাখবেন না খালি পেট থাকার পর হঠাৎ করে অনেকটা খেলে ভুঁড়ি বেড়ে যায়।
  • ঘুম না হলে হরমোনের সমস্যা দেখা দেয় তাই অবশ্যই ঘুমানোর চেষ্টা করুন। 
  • জাংপুর থেকে দূরে থাকুন।
  • এছাড়াও শরীর বাড়ানোর জন্য ঘন ঘন খাবার গ্রহণ করতে পারেন বারবার পুষ্টিকর খাবার গুলো খেতে পারেন তাহলে শরীর বাড়ানো সম্ভব বেশি বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করুন বেশি বেশি প্রোটিন জাতীয় খাবার খান ড্রাই ফ্রুটস খাবেন সবসময় টেনশন মুক্ত থাকার চেষ্টা করবেন পরিমিত পরিমানে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন ঘুমানোর আগে দুধ মধু খাবেন এই ভাবেই আপনি শরীর বানাতে সক্ষম হবেন।

ইয়াং থাকার উপায়

ইয়ং থাকার উপায় সম্পর্কে বলতে গেলে সবার প্রথমেই আপনাকে যে কোন ভাবেই সুস্থ থাকতে হবে সুস্থ থাকার কোন বিকল্প নেই তাই সুস্থ থাকতে হলে আপনাকে প্রতিনিয়ত হাঁটতে হবে হাঁটার কোন বিকল্প নেই প্রতিদিন অত্যন্ত আধাঘন্টা করে হাঁটুন এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে হার্ট ভালো থাকবে হার্টের রোগ ডাইবেটিস প্রেসার এর মত সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবেন।
  • প্রতিদিন খাবারে অন্তত একটা করে মৌসুমী ফল রাখুন তবে রোজ যদি আম কলা আনারস কাঁঠাল খেতে থাকেন তাহলে ওজন বেড়ে আপনাকে বয়সে থেকে আরও ১০ বছরে বেশি বয়স্ক লাগবে তাছাড়াও ফল কিন্তু পুষ্টি ও গুণে ভরপুর যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ওর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যা আপনাকে রাখবে তরতাজা।
  • ওজন কমাতে গিয়ে ব্রেকফাস্ট কখনোই বাদ দিবেন না তাহলে কিন্তু শরীরের মোটা হওয়ার ক্ষমতা বেড়ে যাবে আর বারেবারে খেতে থাকলে নিজের ক্ষতি নিজে ডেকে আনবেন।
  • যৌবন ধরে রাখতে হলে মিষ্টি জাতীয় খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে চকলেট পেজটি আইসক্রিমের মত খাবারে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট থাকে যা শরীরের ডাইবেটিস ও কোলেস্টরেল বাড়ায়।
  • শরীরের অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফেলুন অতিরিক্ত ওজন খুব দ্রুত মানুষ কে বয়স্ক করে তোলে এমনকি কমিয়ে দেয় আত্মবিশ্বাসও।
  • সুষ্ঠু ও দীর্ঘ জীবন পেতে এবং যৌবন ধরে রাখতে সকালে খানিকক্ষণ সূর্যালোকে থাকুন সূর্যের আলোতে আছে ভিটামিন ডি যা হারকে মজবুত করে যার সাথে সাথে মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়।
  • এছাড়াও আপনি ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।
  • ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে তরুণকে দ্রুত বাধ্যকের দিকে ঠেলে দিতে পারে এদের কোন বিকল্প নেই।
  • ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সপ্তাহে অন্তত একবার ট্র্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।
  • এছাড়াও সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন ত্বকের ক্ষতিকর বেগুণী রশি থেকে এটা আপনাকে মুক্ত রাখবে।

শরীর ও মন সুস্থ রাখার উপায়

শরীরও মন সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বলতে গেলে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। এছাড়া সময় মত সঠিক খাবার খাওয়া পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া মেডিটেশন করতে পারেন শরীরমন সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিতে পারেন।

শুধু শরীর সুস্থ রাখার জন্য ছোট ছোট লক্ষণ তৈরি করুন শরীর ও মন সুস্থ রাখতে ভালোভাবে ঘুমাতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে মাঝে মাঝেই বাইরে যান এবং স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের সাথে মেলামেশা করুন এতে শরীরও মন সুস্থ থাকবে।

মেয়েদের বডি ফিট রাখার উপায়

মেয়েদের বডি ফিট রাখার উপায় সম্পর্কে বলতে গেলে ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়স্ক সুস্থ ও শারীরিকভাবে ফিট মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝহারী গতিতে 75 মিনিট জোড় গতিতে এরাবিক ব্যায়াম করা দরকার সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন করতে হবে বেশি শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম। সম্ভব হলে সকালে ২০ মিনিট এবং বিকেলে ২০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করবেন।

এবং ত একই গতিতে হাঁটার চেষ্টা করবেন যাতে শরীর ঘেমে যায়। হাঁটু-কোমর-গোড়ালির অবস্থা দেখে নেবেন। হৃদ্‌যন্ত্র-ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কম থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যারোবিক ব্যায়াম করুন। তবে হাঁটা বা জগিংয়ের আগে ভালো মানের হাঁটার জুতো পরে নেবেন। না হলে পায়ে ব্যথা হতে পারে।
স্ট্রেচিং কীভাবে করতে হয়, তা কমবেশি সবাই জানেন। বিশেষ কিছু নয়, শরীরের প্রতিটি পেশিসন্ধিকে সচল রাখার জন্য এই ব্যায়াম খুবই উপকারী।পেশি জোরদার করার ব্যায়াম দুভাবে করা যায়। ওজন নিয়ে ও শরীরের ওজন ব্যবহার করে। বিভিন্ন রকমের স্কোয়াটিং আছে, লেগ রাইজিং, প্ল্যাঙ্ক, পুশ-আপ ইত্যাদি উপায়ে এসব ব্যায়াম করা যায়। 

তবে বয়স্ক বা ক্রনিক অসুখ আছে বা ফিটনেস কম কিংবা হাঁটু-কোমরের ব্যথা আছে, এমন মানুষের পক্ষে অভ্যাস না থাকলে অবশ্যই একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।ইয়োগা করতে পারেন। এটা সব বয়সী মানুষই করতে পারেন। আমাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি, মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও খুব জরুরি। মেডিটেশনের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানো যায়।

প্রথমে ওয়ার্মআপ
ওয়ার্মআপের উদ্দেশ্য হলো
শরীরকে ব্যায়ামের উপযুক্ত করে তোলা। ওয়ার্ম আপ মোট ৫-১০ মিনিট করবেন। আর প্রতিটি ধাপ ২০-৩০ সেকেন্ড হবে।
  • ২ হাত প্রসারিত করুন।
  • সাঁতারের ভঙ্গিতে দুই হাত শরীরের দুপাশে ঘোরান।
  • কোমর দোলান ও গোড়ালি প্রসারিত করুন।
  • দুপাশে শরীর বাঁকান, পা সামর্শে তুলুন ও ছোট ছোট লাফ দিন।
দ্বিতীয় পর্যায়ের মূল ব্যায়াম
  • ১০ মিনিট তিনটি ধাপে ১০ থেকে ২০ বার
  • ওঠা-বসা করুন।
  • দু হাত মাটির সমান্তরালে নিয়ে বুক প্রসারিত করুন।
  • সম্ভব হলে পুশআপ দিন।
  • কোমরে হাত রেখে পেছনে ঝুঁকুন যতটা সম্ভব।
  • মাটির সমান্তরালে পা তুলুন।
তৃতীয় পর্যায়ের অ্যারোবিক্স
এই কাজটি করবেন ২০-২৫ মিনিট ধরে।
  • জায়গায় দাঁড়িয়ে দৌড়ানোর ভঙ্গিমা।
  • হাত প্রসারিত করে সাঁতার কাটা।
  • সব শেষে ওয়ার্মআপ আবার ৫ মিনিট
  • প্রথম পর্যায়ের অনুশীলনগুলো আবার করুন।

শরীর ফিট রাখার জন্য ব্যায়াম

শরীর ফিট রাখার জন্য ব্যায়ামের মধ্যে রয়েছে হাঁটা জগিং সাইকেল চালানো সাঁতার কাটা ইত্যাদি বাঁকে বা রাস্তায় যেতে না পারলে হাতে হাঁটুন শরীর ফিট রাখার জন্য হাটা অথবা ব্যায়াম ছাড়া কোন বিকল্প নেই বেশিরভাগ সময় সচল থাকার চেষ্টা করুন এক জায়গায় টানা বসে না থেকে কিছুক্ষণ পরপর উঠে দাঁড়ান হাটাহাটি করুন প্রয়োজন হলে হালকা ব্যামো করতে পারেন। 

ইয়োগা করতে পারেন এটা সব বয়সী মানুষই করতে পারবে। আমাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকা জরুরী মেডিটেশনের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানো যায় তাই প্রতিনিয়ত মেডিটেশন করার চেষ্টা করুন। এছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন দিনে দশ মিনিট এ ধরনের ব্যায়াম করলে দুশ্চিন্তার মাত্রা অনেকটা কমে যায়।
হার্ট রেট স্বাভাবিক থাকে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে শরীর সুস্থ রাখবে খাওয়ার সময় বেশি পানি খাবেন খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে অথবা খাওয়ার ১৫ মিনিট পরে পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন রান্নাঘরের স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। এছাড়া উপলক্ষে আলোচনায় যেসব ব্যায়ামগুলো কথা বলা হয়েছে ব্যায়ামগুলো করতে পারেন তাহলে শরীর ঠিক রাখা সম্ভব। 

ফিট হওয়ার উপায়

ফিট হওয়ার উপায় সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এখানে বেশ কিছু পয়েন্ট আউট এর মাধ্যমে আপনার শরীর ঠিক রাখতে পারবেন তাহলে চলুন সেগুলো জেনে নেওয়া যায় কিভাবে

  • সকালে ২০ মিনিট মর্নিংওয়াক করুন।
  • দৈনিক ১৫ মিনিট বাইসাইকেল চালানোর অভ্যাস করুন।
  • লিফটকে ‘না’ বলে সিঁড়ি বেঁয়ে উপরে উঠুন।
  • ফোনে কথা বলুন হেঁটে হেঁটে।
  • গান ছেড়ে মন খুলে নাচুন মিনিট পনেরো।
  • বসে থাকার অভ্যাসটা বাদ দিয়ে দিন।
  • দৈনিক পান করুন কমপক্ষে দুই কাপ গ্রিন-টি।
  • নিজের কাজগুলো নিজেই করুন রোজ। যেমন কাপড় ধোয়া, ঘর পরিষ্কার করা ইত্যাদি।
  • একটু স্পাইসি খাবার খান। মসলা মেটাবোলিজম বাড়ায় ও ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।
  • ফ্যাট বা তেলযুক্ত যে কোনো খাবার খাওয়ার পরই বরফ শীতল পানি বা পানীয় পান করবেন না। ঠাণ্ডা কিছু খেতেই হলে ৩০ মিনিট পর খান।
  • খাবার খান সময় নিয়ে, ভালোমতো চিবিয়ে খান।
  • কোমল পানীয় পান করা একেবারেই বাদ দিন।
  • ভালোমতো ঘুমান।
  • দৈনিক মিনিট দশেক দড়ি দিয়ে ব্যায়াম করুন অর্থাৎ স্কিপিং করুন।
  • ব্যায়াম করতে ভালো লাগে না? পিং পং বল খেলাটা কিন্তু ভালো ব্যায়াম।
  • চিনি খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিয়ে দিন।
  • প্রতি বেলায় খাবারের সঙ্গে সালাদ খান।
  • মাছ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • স্ট্রেসমুক্ত জীবনযাপন করুন।
  • মন খুলে হাসুন, আনন্দ করুন। কেবল হেসেই মিনিটে ১.৩ ক্যালোরি পোড়ানো যায়। মনে রাখবেন, বিষন্নতা মানুষকে দ্রুত মোটা বানিয়ে ফেলে।

লেখকের শেষ কথা

ছেলেদের শরীর ফিট রাখার উপায় সম্পর্কে এখানে অনেক কিছু আলোচনা করা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আপনাকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ব্যায়াম করতে হবে এছাড়া হাঁটা চলাফেরা করতে হবে যে কোন কাজ থেকে দূরে থাকলে চলবে না সব কাজ শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে করার চেষ্টা করতে হবে এভাবে ছেলেদের শরীর ফিট রাখা সম্ভব তাহলে চলুন আমরা প্রতিনিয়ত এগুলা করার চেষ্টা করি এছাড়াও এমন সুন্দর সুন্দর পোস্ট পাওয়ার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে সাথে থাকুন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url