প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে

 

প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে পাঠকদের উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যে আজকে নিয়ে চলে এসেছি প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত। সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার আগে সূচিপত্র টি দেখে নিন তাহলে আপনার পোস্টটি পড়তে সুবিধা হবে অথবা ভালোমতো বুঝতে পারবেন। তাহলে চলুনপ্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। 
প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে

সুচিপত্রঃপ্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে

ভূমিকা

আমরা এখানে আলোচনা করব প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আসলে সাইকেল চালানোর উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।

বিস্তারিত জানতে হলে আমাদের নিচের পোস্টগুলো স্টেপ বাই স্টেপ করতে থাকুন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা কি তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক। 

প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে

প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বলতে গেলে এর উপকারিতা অনেক তা বলে শেষ করা যাবেনা তার মধ্যে স্বাস্থ্য এবং শরীরের দক্ষতা বাড়াতে সাইকেলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিনিয়ত সাইকেল চালালে হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। হ্রাস পায় শরীরে চর্বির মাত্রা বৃদ্ধি পায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার হ্রাস পাই বিষন্নতার পেশী শক্তি বৃদ্ধি পায় হাড় মজবুত হয়। 

এছাড়া সাইকেলিং এর মাধ্যমে ওজন বৃদ্ধি রোধ করে এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রেগুলার সাইকেল চালানো দরকার। স্টোক থেকে দূরে থাকবেন সাইকেল চালাইলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় শ্বাস যন্ত্রের পেশিকে ট্রেন করে সাইকেলিং। শরীরের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। সাইকেল চালানোর ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমে যায়।

সাইকেল চালালে কি ওজন কমে

প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বলতে গেলে সাইকেল চালালে কি আসলে ওজন কমে হ্যাঁ আপনি ঠিকই দেখছেন সাইকেল চালালে শরীরের অনেক ওজন কমে যায় সাইকেল চালালে একটু বেশি ক্যালরি খরচ হয় তাই দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে সাধারণত ঘন্টায় দশ মাইলেজ কম গতিতে চালালে খুব ধীরগতিতে ক্যালরি ক্ষয় হয়। ঘন্টায় ১০ থেকে ১২ মাইল গতিতে সাইকেল চালিয়ে সহজেই ৪০৮ ক্যালোরি খরচ করা যায়। এছাড়া নিয়মিত সাইকেল চালালে শরীরের নিম্নাংশের কৃষি মজবুত হয় এইটার মাধ্যমে শরীরে চর্বি বাসা বাঁধতে পারে না। 
পুরো শরীরের ব্যালেন্স করার ক্ষমতা তৈরি হয় যারা নিদ্রাহীনতায় ভুগেন তারা সাইকেলিং এ অনেক ধরনের উপকারিতা পাবেন খেলার ছলে শুরু করুন সাইকেলিং। এছাড়াও র ত্বকের রক্ত চলাচল বাড়ায় সাইকেলিং। সাইকেলিং কিন্তু খরচ কমায় এবং সময়ও বাঁচায় এই সময় জ্যামে আটকা পড়ে যে পরিমাণ দূষিত বাতাস আপনার ফুসফুসের ঢুকবে ও সময় নষ্ট হবে সাইকেলিং দিয়ে চলাচল করে দুটোই কমবে।

সাইকেল চালানোর নিয়ম

সাইকেল চালানোর বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে তার মধ্যে প্রথমত মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীরে একই ভারসাম্য রাখতে হবে সাইকেলিং করার আর একটা অন্যতম উপায় কাজ স্বাভাবিক ও মেরুদন্ড সোজা রাখতে হবে আর একটা জিনিস মনে রাখতে হবে প্রতিদিনের চেয়ে পরের দিন বেশি ক্যালরি ঝরানোর টার্গেট করতে হবে যদি ওজন কমাতে চান তাহলে প্রতিদিন 30 মিনিট করে সাইকেল চালান তবে ৬০ মিনিট সাইকেল চালালে শরীরের সহনশীলতা বেড়ে যায়। 

কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এছাড়াও ক্যালরি বেশি ঝরানোর জন্য পাহাড়ি রাস্তায় ৩০ থেকে ৬০ মিনিট সাইকেলিং করুন। আপনি যদি নতুন সাইকেল চালানো শিখতে চান তাহলে বেছে নিন সবচেয়ে বড় মাঠ অথবা ফাঁকা জায়গা। এছাড়া নিজের উচ্চতা অনুযায়ী সাইকেল গ্রহণ করুন তাহলে তাড়াতাড়ি সাইকেল চালানো শিখতে পারবেন। 

সাইকেল চালানোর সময় ব্যালেন্স রাখার জন্য পেছন থেকে কাউকে ধরতে বলুন এইভাবে চালাতে চালাতে যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে না আপনি পারবেন তখন পেছনে লোকটিকে ছেড়ে দিতে বলুন। তবে প্রথমে হাফ প্যাটেল দিয়ে সাইকেল চালাতে শিখতে চেষ্টা করুন। আপনি দ্রুত সাইকেল চালানো শেখার জন্য আপনার ইচ্ছে শক্তি টা গুরুত্বপূর্ণ।

সাইকেল চালালে কি ওজন কমে

উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যাচ্ছে যে সাইকেল চালালে ওজন কমে প্রতি ঘন্টায় একটু বেশি করে সাইকেল চালালে আপনার ক্যালরি খরচ হয় তাই দ্রুত ওজন কমাতে সাইকেলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার প্রতি ঘন্টায় যদি আপনি 4 00 ক্যালোরি খরচ করতে চান প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানার জন্য আপনাকে অবশ্যই সাইকেল চালাতে হবে অথবা ওজন কমানোর জন্য। 

তাহলে আপনাকে খুব দ্রুত সাইকেল চালাতে হবে ওজন কমানোর জন্য সকাল বিকাল দুইবার করে সাইকেল চালানোর অভ্যাস করুন। তাই ১০ থেকে ১২ মাইল গতিতে সাইকেল চালিয়ে সহজেই ৪০০ ক্যালোরি খরচ করতে পারবেন। এছাড়া নিয়মিত সাইকেলিং করলে শরীরের মাংসপেশি মজবুত হবে

মেয়েদের সাইকেল চালানোর অপকারিতা

আমাদের দৈনিন্দ্য জীবনে দেখা যায় মেয়েরা বেশিরভাগই সাইকেল চালানোর মদ পোষণ করে থাকে। ১৭ থেকে ২৮ বছর বয়সী সাইকেলে মহিলাদের ৬০% পাওয়া যায় টেনিস এবং সব বলকে ছড়িয়ে মহিলাদের জন্য ৪৭ টি জনপ্রিয় খেলার মধ্যে সাইকেল চালানো নয় তম স্থানে রয়েছে। তবে এর মধ্যে মেয়েদের সাইকেল চালানোর মধ্যে অপকারিতা টা একটু বেশি। যেমন মেয়েদের যৌনাঙ্গে একতরফা 
ফুলে যাওয়া যৌনাঙ্গে হালকা ব্যথা এবং অসস্তি স্তনের বোটা ফুলে যাওয়া নার্ভের ক্ষতি হয়। ইসলামিক শরীয়ত মতে মহিলাদের জন্য বাইসাইকেল অথবা মোটরসাইকেল চালানো সম্পূর্ণ নিষেধ বলে গণ্য করা হয়। এছাড়া মহিলারা সাইকেল চালালে মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকে এছাড়া হরমোনের পরিবর্তন দেখা যায় এছাড়া যেসব মেয়েদের মেদ বেশি তারা সাইকেলিং করে মেয়েদের মেদ কমাতে পারেন।

সাইকেল চালানোর ক্ষতিকর দিক

সাইকেল চালানোর যেমন উপকারিতা আছে তেমন ক্ষতিকরদিক রয়েছে ক্ষতিকর দিক এর মধ্যে কিছু ক্ষতিকর দিকগুলো আমরা তুলে ধরব আপনাদের কাছে ক্ষতিকর দিকের মধ্যে এক হচ্ছে অতিরিক্ত সাইকেল চালালে আপনার যৌন ক্ষমতা রাজ পেতে পারে তাতে ব্যথা হতে পারে 

কোমরে ব্যথা হতে পারে হাড়ে চিড় ধরতে পারে। অবশ্যই এই ক্ষতিগুলো সব সময় হবে না যখন আপনি অতিরিক্ত সাইকেল চালিয়ে ফেলবেন তখন এই সমস্যাগুলো সম্মুখীন হতে পারে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা একটা অন্যতম কারণ সাইকেল চালানোর জন্য।

লেখক এর শেষ কথা

সবার শেষে বলতে গেলে প্রতিদিন সাইকেল চালানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে আমাদের নিয়মিত সাইকেল চালালে আমাদের অনেক ধরনের রোগ বালাই থেকে মুক্ত থাকতে পারবো তাই আমাদের প্রতিনিয়ত কিছু পরিমাণ হলেও সাইডের জন্য উচিত। এই পোস্টটি নিয়ে আপনাদের যদি আরো কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে আমাদের জানান আমরা সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব। এছাড়া আমাদের পেজটিতে ফলো দিয়ে সাথে থাকুন। 
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url