এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে এই পোস্টটিতে পাঠকদের জন্য বিস্তারিত আলোচনা করা হবে তাই পোস্টটি না টেনে ধৈর্য সহকারে সম্পন্ন টি পড়ার চেষ্টা করবেন তাহলে বুঝতে পারবেন এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে। সবার প্রথমে সূচিপত্রের কথা বলা হয়েছে সূচিপত্র অনুযায়ী পোস্টটি পড়ার চেষ্টা করবেন সূচিপত্র তে ক্লিক করলে সূচিপত্র অনুযায়ী আপনাকে সেই জায়গায় নিয়ে যাবে তাহলে আপনার পড়তে সুবিধা হবে তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার।
১ মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ

ভূমিকা

এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে সম্পূর্ণ পোস্টটিতে আলোচনা করা হবে ঘন ঘন মাসিক হলে কি করনীয়, এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার প্রতিকার, ঘনঘন মাসিক হওয়ার কারণ কি, 

১৫ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি, ১০ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি, এক মাসে তিনবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার, সময়ের আগে মাসিক হওয়ার কারণ নিচে এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে তাই ধৈর্য সহকারে পোস্টটি পড়ার চেষ্টা করুন।

এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করব তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে। সাধারণত ২৫ থেকে ২৮ দিনের ব্যবধানে মাসিক হয়ে থাকে যদিও ৩৫ দিনের কম সময়কালেও স্বাভাবিক হিসাবে মাসিক হতে পারে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি নির্ভর করে মহিলাদের হরমোন ও শারীরিক অবস্থার উপর।
যার ফলে প্রত্যেক ঋতুস্রাবের সময় একে অপরের থেকে আলাদা হয় নির্দিষ্ট সময় অন্তর অর্থাৎ ২৫ থেকে ২৮ দিনের মাঝেই ঋতুস্রাব হয়ে যায় কোন সমস্যা না থাকলে এছাড়াও অনেকেরই এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ আবার কারো কারও তিনবার হয়ে যায় এই বিষয়ের কারণ কি তাহলে চলুন এটা সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই সমস্যাগুলো সাধারণত অনিয়মিত খাবারের কারণে হয়ে থাকে।

অথবা অপুষ্টি জনিত খাবারের জন্য হয়ে থাকে এক্ষেত্রে ফাস্টফুড অন্যতম এছাড়াও যদি ওভারিতে সিস্ট থাকে কিংবা থাইরয়েডের সমস্যা থাকে তাহলেও মাসে দু’বার ঋতুস্রাব হতে পারে। অন্যদিকে, এই সব কারণে অতিরিক্ত পরিমাণ রক্তপাতও হয়। সেই ক্ষেত্রেও সচেতন হন, নয়তো ভবিষ্যতে রক্তাল্পতার সমস্যা দেখা দেবে। একই ভাবে মানসিক চাপের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। চক্রের লঙ্ঘন নিম্নলিখিত কারণগুলির কারণে হতে পারে।
  • চাপপূর্ণ পরিস্থিতিতে
  • মেনোপজের সূচনা
  • অপুষ্টি
  • মৌখিক গর্ভনিরোধক শরীরের প্রতিক্রিয়া
  • বয়ঃসন্ধিকালে চক্রের গঠন
  • গর্ভাবস্থা

ঘন ঘন মাসিক হলে কি করণীয়

ঘনঘন মাসিক হলে কি করণীয় তা সম্পর্কে আজ বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হবে তাই কমপক্ষে তিন মাস অন্তর অন্তর মাসিক হওয়াটা খুবই জরুরী প্রাকৃতিক নিয়মে না হলে ঔষধ দিয়ে মাসিক করাতে হবে তিন মাস পরপর যাদের ঘন ঘন মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে হরমোন বাপি লেখস দিন করে গরম পক্ষে তিন চক্র দিয়ে মাসিক নিয়মিত করাতে হবে। 

এ সময় ঘন ঘন মাসিক হলে সাধারণত আপনি প্রতিনিয়ত কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন এতে মাসিকের সম্ভাবনা কম থাকবে এছাড়া কাঁচা হলুদ অ্যালোভেরা অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার আদা জিরা দারুচিনি ফল ও সবজির জুস ব্যায়াম এবং মেডিটেশন এই ধরনের ঘরোয়া উপায় গুলো মেনে চলে যদি আপনার উপকার না হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।
অনিয়মিত পিরিয়ড কী-প্রতি চন্দ্রমাস পর পর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।

এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার এর মধ্যে মাসিক চলাকালীন পেটব্যথা, পিঠব্যথা, বমি বমি ভাব হতে পারে। আর যাদের এই মাসিক ঋতুচক্র প্রতি মাসে হয় না অথবা দুই মাস আবার কখনও চার মাস পর পর হয়, তখন তাকে অনিয়মিত পিরিয়ড বলে। অনিয়মিত পিরিয়ড নারীদের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

মাসিক অনিয়মিত কেন হয়-অনিয়মিত পিরিয়ড বা একেবারেই পিরিয়ড বন্ধ হওয়া পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের (POS) জন্য হয়ে থাকে। তবে আরও অনেক কারণ আছে, যার জন্য পিরিয়ড নিয়মিত হয় না। যেমন- অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা, ক্যাফেইন জাতীয় খাবার গ্রহণ যেমন অতিরিক্ত কফি পান করা, স্ট্রেস নেওয়া, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করা, অপরিচ্ছন্ন থাকা, মদ্যপান বা ধূমপান করা ইত্যাদি।

টিনেজার ও মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পেছনের কারণটি হলো হরমোন। আর লম্বা সময় স্ট্রেসে থাকলে অনেকেরই মাসিক দেরিতে হতে পারে।

এ ছাড়া একজন নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তা জানতেন না। এর পর নিজে থেকেই তার মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় সাধারণ পিরিয়ডের তুলনায় কিছু দিন পর বেশি রক্তপাত হতে পারে, যাকে অনেকেই দেরিতে মাসিক হওয়া বলে ধরে নেন। এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হয়েছে।

ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে। এমনকি কিছু দিন বন্ধও থাকতে পারে। জরায়ুতে টিউমার ধরনের এক ধরনের বৃদ্ধি হলো ফাইব্রয়েডস। এগুলো পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রকে বাধা দিতে পারে।

জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা। যেমন- পিল, প্যাঁচ, ইনজেকশন, আইইউডি। এগুলো ব্যবহার করলে পিরিয়ড দেরিতে হওয়া বা পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক।

মনোনিউক্লিওসিস, ঠাণ্ডা, সর্দি, গলার ইনফেকশন- এ ধরনের সমস্যায় পিরিয়ড দেরিতে হতে পারে। তবে বড় কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন থাইরয়েডের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও পিরিয়ড দেরিতে হতে দেখা যায়।
কী করবেন-নিয়মিত মাসিক হলে শরীরের হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক থাকে। তবে অনিয়মিত পিরিয়ড বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এ বিষয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার প্রতিকার

এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার প্রতিকার সম্পর্কে এখানে আজকে আলোচনা করা হবে তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার প্রতিকার সম্পর্কে।
  • আপনার শরীর যতটা সহ্য করতে পারে শুধুমাত্র ততটুকু ব্যায়াম করুন। নিজেকে ক্লান্ত করে খুব বেশি ব্যায়াম করবেন না, এতেও পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।
  • শরীরে যত সমস্যাই থাকুক না কেন, জল পান একটি ভালো প্রতিকার। তাই যতটা পারবেন জল পান করুন। সারাদিনে অন্তত 4-5 লিটার পানি পান করুন।
  • এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে আপনার স্বাস্থ্য ঠিক রাখে।
  • পিরিয়ডের সময় বেশি ব্যথা হলে যোগব্যায়ামেরও সাহায্য নিতে পারেন। এর জন্য সেরা যোগাসন হল চক্রাসন। এটি নিয়মিত করলে আপনি ব্যথার পাশাপাশি অনিয়মিত পিরিয়ড থেকেও মুক্তি পাবেন।
  • আপনার জীবনের চাপ যতটা সম্ভব কমিয়ে দিন। তবেই আপনি এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার প্রতিকার করতে পারবেন।
  • অনিয়মিত পিরিয়ডস কিংবা মাসে দু'বার পিরিয়ড হলে সেটির জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে আপনার শরীরে কী রোগ বাসা বেঁধেছে সেটা স্পষ্ট করে জানানো সম্ভব নয় প্রথমেই। আল্ট্রাসোনোগ্রাফি এবং আপনার রক্ত পরীক্ষা করার পরই তিনি বলতে পারবেন আপনার ঠিক কী কারণে মাসে দু'বার করে পিরিয়ডস হচ্ছে!
  • যেকোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে থাকুন।

ঘন ঘন মাসিক হওয়ার কারণ কি

ঘনঘন মাসিক হওয়ার কারণ কি ঘন ঘন মাসিক হলে করণীয় তিন মাস অন্তর অন্তর মাসিক হওয়াটা জরুরী প্রাকৃতিক নিয়মে না হলে ঔষধ দিয়ে মাসিক করাতে হবে তিন মাস পরপর যাদের ঘন ঘন মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে হরমোন বা বিল ২১ দিন করে কমপক্ষে তিন চক্র দিয়ে মাসিক নিয়মিত করাতে হবে। 

ঘন ঘন মাসিক যাদের হয় তাদের প্রাথমিক অবস্থায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যেহেতু তারা কিশোরী কিংবা তরুনী তাদের বারন্ত বয়স। তাই তাদের এই বয়সে এমনটা হতেই পারে। তবে ১ বছরের মধ্যেই এদের এই সমস্যা ঠিক হয়ে যায়। কারোর ক্ষেত্রে এর আগেই বা একটু পরেই ঠিক হয়ে যায়।হরমনাল ডিজিস যেমন থাইরোড হরমোন যখন কম বা বেশি হয় অথবা প্রলেক্টিনার হরমোন যদি বেশি হয়।
তাহলে কিন্তু মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।এছারাও কিছু সিস্টামিক ডিজিস আছে যেমন ডায়বেটিস, হাইপারটেনশন, যে কোন গুরুতর রোগ যেগুলোর জন্য  মাসিক অনিয়মিত হতে পারে। এই বিষয় গুলোকে  অনেকে গুরুত্ব দিতে চায় না অথচ দিনের পর দিন এই সমস্যায় ভুগছেন। কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ও পাচ্ছে না। 

তাই এই বিষয়ে যতেষ্ট কনছিয়াস হতে হবে।কিশোরী কিংবা তরুনী তাদের ক্ষেত্রে যখন অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে। তখন কিন্তু এই কিশোরী কিংবা তরুনী জন্য একটি ট্রমা।পাশাপাশি তাদের বাবা মায়ের জন্য  একটা অসস্থির কারন।কিশোরী কিংবা তরুনী এদের যখন অনিয়মিত মাসিক হয় তখন তার মায়ের ইনজয়টি অনেক বেশি থাকে। এ ব্যাপারে মায়েরা খুব অস্থির এবং চিন্তিত হয়ে ডাক্তার এর কাছে আসেন।

১৫ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি

অনিয়মিত ঋতুস্রাবের জেরে ওভারিতে টিউমার এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারের সম্ভাবনা থাকে যদি আপনি মেনোপজের দিকে এগিয়ে আসেন, তাহলে অনিয়মিত ঋতুস্রাব স্বাভাবিক। তবে কারণ যাই-ই হোক কেন। অবহেলা না করে চিকিসকের পরামর্শ নিন। কী কী কারণে এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন একজন মহিলা, তার কিছু কারণ আপনাদের জন্য নিচে আলোচনা করা হলো।
  • হঠাৎ করে যদি এই পিল খাওয়া শুরু করেন, তাহলে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে। আবার আচমকা এই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলে অতিরিক্ত রক্তপাক হতে শুরু হয়। এটি একটি অস্থায়ী সমস্যা। এটি হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ঘটছে। আপনার হরমোনে ভারসাম্যতা যখন ফিরে আসবে তখন আপনার মাসিক চক্রও আবার নিয়মিত হয়ে যাবে। তাই এতে চিন্তার কিছু নেই।
  • আপনার কি আলসার রয়েছে শরীরে? তাহলে পিরিয়ডের সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে পারে। এই রক্তপাতের সঙ্গে ঋতুস্রাবের কোনও সম্পর্ক নেই। 
  • আমরা মনে করি গর্ভাবস্থা মানেই পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া। কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার পর মাঝখানে রক্তক্ষরণ হওয়া স্বাভাবিক। বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে। 
  • গর্ভাবস্থা কিংবা গর্ভপাত। এই দু'সময়েও অতিরিক্ত রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে। আমরা মনে করি গর্ভাবস্থা মানেই ঋতুস্রাব বন্ধ। কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার পরেও প্রথম তিন মাসে যৌনমিলন কিংবা ওয়ার্ক আউট করার পরে রক্তপাত হয়ে থাকে। এছাড়া গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যোনিপথে রক্তপাত হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে এটি গর্ভপাতের লক্ষ্মণও হয়ে থাকে। তাই আপনার বাচ্চার উপর এটি ভয়াবহ আঘাত আনতে পারে।  এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

১০ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি

১০ দিন পরপর মাসিক হওয়ার কারণ কি তার সম্পর্কে নিজে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এটা সম্পর্কে কি কি করনীয় সেগুলো আলোচনা করা হয়েছে তাই পোস্টটি সম্পন্ন পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন। 
  • হঠাৎ করে যদি এই পিল খাওয়া শুরু করেন, তাহলে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে। আবার আচমকা এই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলে অতিরিক্ত রক্তপাক হতে শুরু হয়। এটি একটি অস্থায়ী সমস্যা। এটি হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ঘটছে। আপনার হরমোনে ভারসাম্যতা যখন ফিরে আসবে তখন আপনার মাসিক চক্রও আবার নিয়মিত হয়ে যাবে। তাই এতে চিন্তার কিছু নেই।
  • আপনার কি আলসার রয়েছে শরীরে? তাহলে পিরিয়ডের সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে পারে। এই রক্তপাতের সঙ্গে ঋতুস্রাবের কোনও সম্পর্ক নেই। 
  • আমরা মনে করি গর্ভাবস্থা মানেই পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া। কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার পর মাঝখানে রক্তক্ষরণ হওয়া স্বাভাবিক। বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে। 
  • গর্ভাবস্থা কিংবা গর্ভপাত। এই দু'সময়েও অতিরিক্ত রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে। আমরা মনে করি গর্ভাবস্থা মানেই ঋতুস্রাব বন্ধ। কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার পরেও প্রথম তিন মাসে যৌনমিলন কিংবা ওয়ার্ক আউট করার পরে রক্তপাত হয়ে থাকে। এছাড়া গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যোনিপথে রক্তপাত হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে এটি গর্ভপাতের লক্ষ্মণও হয়ে থাকে। তাই আপনার বাচ্চার উপর এটি ভয়াবহ আঘাত আনতে পারে।  এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

এক মাসে তিনবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

এক মাসে তিনবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। এখানে বেশ কিছু পরামর্শের কথা বলা হয়েছে নিম্নে পরামর্শটি হল। আপনি সবার প্রথমে বিবাহিত না অবিবাহিত সেটা জানতে হবে কেন এমন হচ্ছে জানতে তলপেটের আল্ট্রা সাউন্ড।
এবং থাইরয়েড পরীক্ষা করে নিতে পারেন এই সময় তিন মাস কোন একটা জন্ম নিয়ন্ত্রণ ঔষধ সেবন করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন এটা একটা ডাক্তারের পরামর্শ। তুমি ছাড়াও ঘন ঘন মাসিক হওয়ার বেশ কিছু উপকরণ রয়েছে তার মধ্যে উচ্চ মানসিক চাপ কম ওজন হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। 

সময়ের আগে মাসিক হওয়ার কারণ

সময়ের আগে মাসিক হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। সাধারণভাবে বলতে গেলে উচ্চ মানসিক চাপের কারণে সময়ের আগেই মাসিক হতে পারে। এছাড়াও আপনার ওজন কম হওয়ার কারণেও কিন্তু সময়ের আগে মাসিক হতে পারে হরমনের ভারসাম্যহীনতার কারণেও অসময়ে মাসিক হতে পারে। বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত মাসিক হয়। যেমন-
  • সাবালিকা হওয়ার প্রথম ১-২ বছর ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতার জন্য।
  • মেনোপজ হওয়ার আগের ৪-৫ বছর হরমোনের তারতম্যের জন্য।

  • কিছু কিছু পিল খাওয়ার সময় বা কপার-টি দেওয়া অবস্থায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য। 
  • বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় হরমোনের তারতম্যের জন্য। 
  • খুব বেশি ব্যায়াম করলে।
  • অতিরিক্ত টেনশনে থাকলে।
  • হঠাৎ খুব ওজন বেড়ে বা কমে গেলে। 
  • হরমোনজনিত রোগ পিসিওএস হলে।
  • থাইরয়েড রোগীদের। 
  • স্ত্রী রোগ যেমন-জরায়ুর পলিপ, ফাইব্রয়েড টিউমার, জরায়ুর প্রদাহ ও এন্ডোমেট্রোসিস রোগ হলে।

লেখকের শেষ কথা

এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পেরেছেন সবার শেষে বলতে চাই যে এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার এটা নিয়ে কোন ধরনের টেনশন না করে ঘরোয়া পরিবেশের মাধ্যমেও এটা সমাধান করতে পারেন।
অথবা নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন এছাড়াও এখানে বলা হয়েছে ১ মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ,ঘন ঘন মাসিক হলে কি করণীয়, এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার প্রতিকার, ঘন ঘন মাসিক হওয়ার কারণ কি, ১৫ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি, ১০ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি। 

এক মাসে তিনবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার, সময়ের আগে মাসিক হওয়ার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে আশা করি পোস্টটি পড়ে আপনার অনেক উপকার হয়েছে এছাড়াও এমন আরো পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে সাথে থাকুন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url