অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায়

অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায় সম্পর্কে আজ আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে তাই পোস্টটি না টেনে ধৈর্য সহকারে পড়ার চেষ্টা করুন তাহলে আপনি জানতে পারবেন অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায় সম্পর্কে সবার প্রথমে পোস্টটির সূচিপত্রটি দেখে নিন তাহলে আপনার সম্পূর্ণ পোস্টটি করতে সুবিধা হবে আপনার কাছে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে সূচিপত্রটির সেই অংশে ক্লিক করলে আপনাকে সেই জায়গায় নিয়ে যাবে তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায় গুলো কি কি।

সূচিপত্রঃ অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায়

ভূমিকা

অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায় সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে তাই ধৈর্য সহকারে সম্পন্ন পোস্টটি পড়ার চেষ্টা করুন এখানে আলোচনা করা হবে অনিয়মিত মাসিকের ঔষধ গুলো কি কি হতে পারে সেটা সম্পর্কে, নিয়মিত মাসিক না হলে করণীয় হলো দ্রুত মাসিক হওয়ার ওষুধ 

কোনগুলো অনিয়মিত মাসিক হলে কি কি সমস্যা হয়ে থাকে শরীরের প্রাকৃতিক উপায়ে মাসিক হওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত এছাড়াও প্রাকৃতিক উপায়ে মাসিক হওয়ার উপায় অনিয়মিত মাসিকের কারণ এবং সেটার প্রতিকার সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হবে তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যায়।

অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায়

অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায় সম্পর্কে এখানে আজ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে সবার আগে বলতে গেলে একজন তরুণীর নিয়মিত ও সময় মত পিরিয়ড বা মাসিক হওয়াটা স্বাভাবিক এটা না হয়ে যদি অনিয়মিত হয়ে পড়ে তখন বুঝতে হবে আপনার শরীরের কোন না কোন জায়গায় সমস্যা রয়েছে সে ক্ষেত্রে শরীরে কোন ধরনের অসুখ হয়েছে কিনা। 
সেটার দিকে নজর দেওয়া উচিত এই সময় অতিরিক্ত কাজের চাপ ওজন হ্রাস মানসিক চাপ অতিরিক্ত ব্যায়াম এইগুলো কারণে অনিয়মিত মাসিক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেখা যায় যে আপনি অনেক সময় কাছে যেতে চান না চিকিৎসকের কাছে না চেয়ে কিছু ঘরোয়া পরিবেশের মাধ্যমে মাসিক নিয়মিত করতে পারেন চলুন তাহলে সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
  • সাধারণত বিভিন্ন জ্ঞানীগুণীদের মতে যেসব নারীরা নিয়মিত ব্যায়াম করে তাদের মাসিকের সমস্যা থাকে না নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম আছে সেগুলো করলে অনেক সময় মাসিক হয়ে যায়। মাসিক শেষ হওয়ার পর ব্যায়াম করলে পরবর্তী সঠিক সময় মাসিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে বিভিন্ন ধরনের টক জাতীয় ফল যেমন তেঁতুল মাল্টা জলপাই ইত্যাদি। চিনি মেশানো পানিতে তেতুল কিছু সময় ভিজিয়ে রেখে এরপর সঙ্গে সঙ্গে লবণ চিনি ও জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে দিনে দুইবার পান করুন তাহলে আপনার অনিয়মিত মাসিক কে নিয়মিত করে দেবে। তবে সেক্ষেত্রে আপনার যদি অতিরিক্ত গ্যাস থেকে থাকে ও লো প্রেসার এর সমস্যা থেকে থাকে তাহলে এই উপায় থেকে বিরত থাকায় উচিত।
  • অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার জন্য নিয়মিত আদা সেবন করতে পারেন ১ কাপ গরম পানিতে ১/২ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে সিদ্ধ করুন। তিন বেলা খাবার পরে এটা পান করুন এইভাবে নিয়মিত এক মাস এটা সেবন করুন।
  • তিল আপনার অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করবে। কিছু পরিমাণের তিল ভেজে গুড়ো করে নিন এর সাথে কিছু পরিমাণ চিনি অথবা গুড় মিক্স করে নিতে পারেন এটি প্রতিদিন সকাল বেলা খালি পেটে এক চা চামচ করে খান দেখবেন উপকৃত হচ্ছেন।
  • দুই টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার পানিতে মিশিয়ে পান করুন খাবার আগে। এটির কারণে আপনার রক্তের ইনসুলিন ও ব্লাড সুগার কমিয়ে দিয়ে থাকে। যার ফলে আপনার মাসিক নিয়মিত হবে।
  • পিরিয়ড নিয়মিত করতে কাঁচা পেঁপে তম কাঁচা পেঁপে জরায়ুর মাশল ভাইবার কনস্ট্রাকশনে সাহায্য করে নিয়মিত কয়েক মাস কাঁচা পেঁপের রস খেলে পিরিয়ড নিয়মিত হয় তবে প্রিয় চলাকালীন এটি না খাওয়াই ভালো।
  • বীরের হরমোন ব্যালেন্স ঠিক রাখতে ও মাসিক নিয়মিত করতে হলুদ অন্যতম। কাঁচা হলুদ জরায়ুর মাংসপেশীর সংকোচন প্রসারন নিয়ন্ত্রণ করে এটির মাধ্যমে মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ দুধের সাথে চা চামচের ৪ ভাগের এক ভাগ কাঁচা হলুদ নিয়ে মধুবাগ গুড় দিয়ে কিছুদিন খেতে পারেন এর পরিবর্তন আপনি নিজেই টের পাবেন।

    দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায়

    দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায় সম্পর্কে পড়ার জন্য আপনি যদি এই পেজটিতে এসে এই পোস্টটি পেয়ে থাকেন তাহলে এটি আপনার জন্য। দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায় সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তাই পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়ার চেষ্টা করবেন। তবে আপনি বুঝতে পারবেন দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায় সম্পর্কে।

    দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায় খুঁজতে গিয়ে অস্বাস্থ্যকর ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে এর প্রতিকার ঘরোয়া ভাবে করা সম্ভব। ঘরোয়া কিছু টিপস ফলো করে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। যেমন, মাসিকে যে চক্র আছে তাকে প্রতিনিয়ত বা নিয়মিত করতে আদা বেশ কার্যকরী। এক কাপ পানিতে এক থেকে দুইটি চাকা আদা ৭ থেকে ৮ মিনিট সিদ্ধ করে নিন। 

    তারপর পানির সাথে মিশে রেখে দিন। ৩ বেলা খাবার খাওয়ার পর আদা মিশ্রিত পানি এক মাস পান করুন। এতে আপনার মাসিক নিয়মিত হয়ে যাবে। আরেকটি ভীষণ উপকারী উপাদান হচ্ছে, তিল অল্প পরিমাণে ভিজিয়ে রেখে গুড়ো করে গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে রাখুন। তারপর রোজ খালি পেটে এক চা চামচ করে খান। আরো একটি কার্যকারী উপায় হচ্ছে শারীরিক ব্যায়াম। শারীরিক ব্যায়ামের মধ্যে আপনি প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট জগিং করতে পারেন। এছাড়াও শরীরচর্চায় আপনি সাইকেলিং করতে পারেন।

    অনিয়মিত মাসিকের ঔষধ

    অনিয়মিত মাসিকের ঔষধ সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে তাই ধৈর্য সহকারে পড়ার চেষ্টা করুন। উপরোক্ত কিছু ঘরোয়া উপায়েও এটা সমাধান করতে পারেন চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঔষধ গুলোর নাম
    • নরমেন্স ট্যাবলেট
    • মেনোরাল ট্যাবলেট
    নরমেন্স ট্যাবলেট এর সঙ্গে সহায়ক ঔষধ গুলো প্রয়োজনে খেতে পারেন সেগুলো হলো
    • এলজিন ট্যাবলেট (যদি পেটে ব্যথা হয়)
    • আয়রন সাপ্লিমেন্ট
    • গ্যাসের ঔষধ
    বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এইসব ঔষধ গুলো সেবনের পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন

    নিয়মিত মাসিক না হলে করনীয় কি

    নিয়মিত মাসিক না হলে করণীয় কি তা সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করব মাসিক চলাকালীন সময়ে পেট ব্যথা পেট ব্যথা ও বমি বমি ভাব হয়ে থাকে নিয়মিত মাসিক না হলে করণীয় কি তা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই চলুন
    • প্রতিনিয়ত আপনার শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেক সময় মাসিক বন্ধ হয়ে যেতে পারে তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ করা আবশ্যক।
    • ঠিক সময় মত মাসিক খাওয়ানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। 
    • প্রতিনিয়ত সুষম প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে যেমন তাজা মাছ-মাংস সবুজ শাকসবজি ফলমূল নিয়মিত খেতে হবে শরীরের রক্তশূন্যতা বা ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মাসিক না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 
    • পাসপোর্ট বা জানপুর থেকে বিরত থাকুন পুষ্টিকর ও এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাবেন। 

    দ্রুত মাসিক হওয়ার ঔষধ ও দাম সমূহ

    দ্রুত মাসিক হওয়ার ঔষধ গুলো সম্পর্কে এইখানে বিস্তারিত আলোচনা করব তবে ট্যাবলেটগুলো কাজ করবে শুধুমাত্র অনিয়মিত মাসিক খুব বেশি রক্তপাত অথবা ব্রেস্ট পেইন মাথা ব্যথা ও মুড সুইং হলে তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ওষুধ গুলোর নাম এবং দামসমূহ
    ওষুধ গুলোর নাম এবং দামসমূহ

    অনিয়মিত মাসিক হলে কি কি সমস্যা হয়

    অনিয়মিত মাসিক হলে কি কি সমস্যা হয় তা সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে তাই সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ে আপনি চেষ্টা করবেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন অনিয়মিত মাসিক হলে কি কি সমস্যা হয়ে থাকে। 
    • এক মাসে রক্তপাত বেশি তো অন্য মাসে একেবারে কম হতে পারে।
    • বেশি সময় ধরে রক্তপাত হওয়া এবং পরিমাণে বেশি রক্ত যাওয়া।
    • সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি।
    • কিছু ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ।
    • মানসিক অশান্তি এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়া।
    তবে এই অনিয়মিত মাসিক হলে এইগুলোর পাশাপাশি আপনি নিকটস্থ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 

    প্রাকৃতিক উপায়ে মাসিক হওয়ার উপায়

    প্রাকৃতিক উপায়ে মাসিক হওয়ার উপায় এর মধ্যে আমরা সবাই জানি আমাদের নরমালি মাসিক হয়ে যায় প্রত্যেক মাসে এছাড়াও বেশ কিছু প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে মাসিক খাওয়ানোর জন্য নিজেকে শান্ত রাখুন তিল বা তিল বীজ খান ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান অল্প হলেও ব্যায়াম করুন আদা এবং পার্সলে খেতে পারেন হলুদ এবং পেঁপে অতুলনীয়। 

    ১ দিনে মাসিক হওয়ার উপায়

    ১ দিনে মাসিক হওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে গেলে তার মধ্যে বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেমন আপনাকে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে যেমন গাজর পুদিনা পাতার করলার রস ভিটামিন সি জাতীয় ফলের রস ইত্যাদি দিনে দুবার খেতে পারেন তবে পিরিয়ড নিয়ম মত করতে গাজর এবং আঙ্গুরের রশি সবচেয়ে বেশি কার্য করে। 
    এছাড়াও আপনি প্রতিনিয়ত করতে পারেন। এছাড়া আপনি দ্রুত পিরিয়ড হওয়াতে চাইলে তলপেটে তাপ প্রয়োগ করতে পারেন তা প্রয়োগের মাধ্যমে আপনার খুব দ্রুত মাসিক হয়ে যাবে। এছাড়া ১ দিনে মাসিক হওয়ার মধ্যে আপনাকে যেসব খাবার খেতে হবে তার মধ্যে আদা তিল এবং গুড় অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার টক জাতীয় ফল এইসব খাবার খেলে আপনার মাসিক খুব দ্রুত হয়ে যাবে।

    অনিয়মিত মাসিকের কারণ

    অনিয়মিত মাসিক হওয়ার কারণ বলতে গেলে সাধারণত বছরে এক থেকে দুইবার অনিয়মিত মাসিক হওয়াটা স্বাভাবিক কিন্তু বারবার এমনটা হলে সেটা গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে এমনটা হলে আপনার স্বাভাবিক জীবন যাপনটাই শুধু নষ্ট করবে না বরংদৈনন্দিন রুটিন কাজেও ব্যাঘাত ঘটবে। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক অনিয়মিত মাসিকের কারণ কি হতে পারে।
    • উচ্চ রক্তচাপ অনিয়মিত মাসিকের একটা অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা যায়। 
    • অনেক সময় দেখা যায় আমরা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে থাকি এর কারণেও অনিয়মিত মাসিক হয়। 
    • অনিয়মিত মাসিক থেকে বিরত থাকতে অতিরিক্ত ব্যায়াম করা যাবে না। মানসিক চাপ কমাতে হবে। 
    • এছাড়া জন্ম নিয়ন্ত্রকিল গ্রহণ করলে পিরিয়ডের উপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে এটি মাসিক চক্রকে ব্যাহত করে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায় বিবাহিত মহিলাদের অনিয়মিত মাসিক হতে পারে যদি তারা হঠাৎ করে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়া বন্ধ করে দেয় বা ঘন ঘন ঔষধ পরিবর্তন করে। যদি আপনি এই ধরনের পিল খাওয়া বন্ধ করে দিতে চান তাহলে স্বাভাবিক পিরিয়ডে ফিরে আসতে কিছুটা সময় লাগতে পারে তবে এটা বন্ধ করে দেওয়ার পরে পিরিয়ড মিশলে চিন্তার কিছু নেই।

    লেখকের শেষ কথা

    অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করার উপায় সম্পর্কে সবার শেষে বলতে গেলে যেসব মেয়েদের মেনোপজের বয়স হয়ে এসেছে তাদের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন আরো বেশি জরুরী হয়ে পড়ে কারণ হচ্ছে মেনোপজ এর পরপরই অনেক রোগে আক্রমণ করতে থাকে। 

    মনে রাখবেন একবার পিরিয়ড দেরিতে হলে চিন্তিত হওয়ার কোন কিছুই নেই। তবে আপনার পিরিয়ডের দিকে খেয়াল রাখুন ৩ মাস টানা মাসিক না হলে অথবা বছরে 9 বারের কম পিরিয়ড হলে বা প্রতিবার পিরিয়ড হওয়ার মাঝে ৩৫ দিনের বেশি বিরতি থাকলে অবশ্যই নিকটস্থ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এই ধরনের আরো পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে রাখুন।
    Next Post Previous Post
    No Comment
    Add Comment
    comment url